নোটিশ বোর্ড
৩য় শ্রেণির (১১-১৬তম গ্রেড) কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জন্য আলাদাভাবে খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রকাশ
২৬-০৪-২০২৬ সাধারণ
৪র্থ শ্রেণির (১৭-২০তম গ্রেড) কর্মচারীদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জন্য ক্যাশ সরকার, ফটোকপি অপারেটর এবং অফিস সহায়ক পদের জন্য আলাদাভাবে খসড়া জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রকাশ
২৬-০৪-২০২৬ সাধারণ
রেনেসান্স হোটেল গুলশান ঢাকা, প্লট নং-০৩, ব্লক সিইএস (এফ) ৭৮ নং গুলশান এভিনিউ, ঢাকা-এর ০৫ (পাঁচ) তারকামান হোটেল লাইসেন্স নবায়ন।
২১-০৪-২০২৬ সাধারণ
সেবা সমূহ
সব দেখুন
মাননীয় মন্ত্রী
মিজ্ আফরোজা খানম
মাননীয় মন্ত্রী
মিজ আফরোজা খানম (রিতা), এমপি বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এঁর চেয়ারম্যান এঁর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম, নারী উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে আসছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশিষ্ট সফল ব্যবসায়ী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী এবং মানিকগঞ্জ -৩ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। জনসেবার প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার ও দায়িত্ববোধ তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন মিজ আফরোজা খানম (রিতা)। তিনি প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মরহুম হারুনার রশিদ খান মুন্নু এবং মিসেস হুরন নাহার রশিদ এঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা। শিক্ষাজীবনে মেধাবী শিক্ষার্থী রিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর পিতার প্রতিষ্ঠিত মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপশি তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর ব্যবসায়ী কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ এবং ২০১৫ সালে তাকে সিআইপি হিসেবে মনোনীত করেন। একটি সফল রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠায় পিতার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং পেশাগত জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে সমাজের বিভিন্ন সমস্যার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয় এবং সেখান থেকেই তিনি জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হন।
রাজনৈতিক জীবনে আফরোজা খানম (রিতা) দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায় থেকে সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তাঁর মরহুম পিতা হারুনার রশীদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জের জননন্দিত নেতা। তিনি চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী। ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনে তার মরহুম পিতা মানিকগঞ্জ-২ ও ৩ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তখন পিতার নির্বাচনী প্রচারনায় প্রধান সমন্বয়কারীর ভূমিকায় অংশ নিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। এরপর বিএনপির বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন এবং জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেন। ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মানিকগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন থেকে রেকর্ড পরিমাণ ভোটের ব্যবধানে জাতীয় সংসদের সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হন এবং একই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ব্যবসায়ী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে পিতার প্রতিষ্ঠিত মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুন্নু নার্সিং ইন্সটিটিউট, মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এঁর মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তার, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে মিজ আফরোজা খানম (রিতা) তিন পুত্র সন্তানের জননী। পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের নানাবিধ ব্যস্ততা সত্ত্বেও তিনি পারিবারিক জীবনে একজন স্নেহময়ী মা এবং সহধর্মিণী হিসেবে দায়িত্বশীল ও সফল ভূমিকা পালন করে চলেছেন। পরিবার ও সমাজ—উভয় ক্ষেত্রেই তিনি সমান আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে আসছেন। জনসেবা ও মানবকল্যাণকে তিনি তার জীবনের অন্যতম আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং দেশের উন্নয়ন ও মানুষের সার্বিক কল্যাণে নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী
এম. রশিদু্জ্জমান মিল্লাত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের রাজনীতি, ব্যবসা ও সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের মাধ্যমে তিনি একজন জননন্দিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। জাতীয় ও জেলা পর্যায়ের রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ তিন দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং জামালপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ আসনে তাঁর গৌরবময় বিজয় তাঁর সুদীর্ঘ জনসেবামূলক নেতৃত্বের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।
প্রয়াত নবাব আলী প্রধান ও প্রয়াত রোকেয়া বেগমের একমাত্র সন্তান এম. রশিদু্জ্জামান মিল্লাত ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক (BBA) ডিগ্রি অর্জনের পর ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পাশাপাশি নেতৃত্বের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে তিনি National Democratic Institute (এনডিআই) ও Centre for Governance Studies (সিজিএস)-এর আয়োজিত নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৮৬ সালে, তদানিন্তন বিএনপি’র শীর্ষস্থানীয় নেতা ও পরবর্তীতে মহাসচিব ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে। এর আগে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্পৃক্ত থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সেখানে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন। দলের প্রতি নিবেদিত থেকে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং সাংগঠনিক তৎপরতা ১৯৯১ সালে বিএনপির মূল রাজনীতিতে তাকে স্থান করে দেয়।
রাজনীতির পাশাপাশি এম. রশিদু্জ্জামান মিল্লাত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। তিনি Shourav Group of Companies-এর চেয়ারম্যান হিসেবে নির্মাণ, প্রকৌশল, মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্পসহ নানা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তিনি আন্তর্জাতিক ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত। National Geographic Society এবং Rotary International-এর (পল হ্যারিস ফেলো) আজীবন সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত। পাশাপাশি তিনি Dhaka Chamber of Commerce & Industry এবং Turkey-Bangladesh Chamber of Commerce & Industry- এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সহযোগিতার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এবং তাঁর সহধর্মিণী সাবিরা সুরাইয়া তিন সন্তানের জনক ও জননী। জনসেবা, ব্যবসায়িক নেতৃত্ব এবং সামাজিক উন্নয়নের প্রতি তাঁর কর্তব্যনিষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে, যা তাঁকে এক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। একজন সমাজসেবক হিসেবে জনগণের প্রতি তাঁর অগাধ মমত্ববোধ ও দায়িত্বপরায়নতা তাঁকে তুমুল জনপ্রিয়তা দিয়েছে।